Struggle for Hindu Existence

*Hindu Rights to Survive with Dignity *Join us in Hindu Freedom Movement *Jayatu Jayatu Hindu Rashtram *Editor: Upananda Brahmachari

Hindu Scriptures

HINDU RITUALS & ROUTINES. WHY DO WE FOLLOW THEM ?

Click here to get it in PDF-Adobe Reader> Hindu_Rituals_Handbook.

दुर्गा सप्तशती, एक बार पढ़ कर देखें. शक्ति के साधक बने. जय माता दी.

http://gitapress.org/BOOKS/paath/118/Durga_Saptashati.pdf

http://gitapress.org/BOOKS/1318/1318_Sri%20Ramchritmanas_Roman.pdf

” राम कथा – सत्य, प्रेम, करुना ”  ~ मोरारी बापू  वेबसाईट ||Ram Katha ~ Morari Bapu

2 Responses to “Hindu Scriptures”

  1. purusathama said

    thanks, great job.

  2. Sunil Mallik said

    নাগরপুর সংখ্যালঘু পরিবারকে দেশত্যাগের হুমকি

    জেলা বার্তা পরিবেশক, টাঙ্গাইল
    নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা গ্রামে সরকারদলীয় ভূমিদস্যু আতিক-আনিস-বিপ্লব বাহিনীর সন্ত্রাসীরা এক সংখ্যালঘু মনিতোষ দাসের ৮ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ কেটে নিয়েছে। তারা নিরীহ মনিতোষকে এক মাসের মধ্যে ঘরবাড়ি ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে_ নইলে তোকে, তোর স্ত্রী ও ছেলেমেয়েকে অন্যথায় পরিবারের সবাইকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে শাসিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। হুমকির পর অসহায় মনিতোষ পরিবার পরিজন নিয়ে ভয়ে আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঘটনা সম্পর্কে নাগরপুর থানা পুলিশকে জানিয়েও ভুক্তভোগী কোন আইনি সহায়তা পায়নি। পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে আদালতে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন, মনিতোষের বাড়ি-জমি দখলে উদ্যত সন্ত্রাসী আতিক-আনিস-বিপ্লব বাহিনী টাঙ্গাইল-৬ আসনের বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি সাহেবের আশীর্বাদপুষ্ট ক্যাডার। এ কারণে এলাকার কেউ তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। তারা নিরীহ সংখ্যালঘু পরিবারটি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
    নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা এলাকার অধিবাসীরা জানান, বর্তমানে আওয়ামী লীগ নামধারী হলেও ভূমিদস্যু আতিক, আনিস ও বিপ্লব বাহিনী একসময় ছিল জাসদের গণবাহিনীর সশস্ত্র ক্যাডার। বর্তমানে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের এমপি খন্দকার আবদুল বাতেন ছিলেন তাদের নেতা। গণবাহিনীর দাপটের সময় থেকেই আতিক-আনিস-বিপ্লব গয়হাটার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া বাড়ি এবং ২৩৫ শতাংশ জমি জবর দখলের হুমকি দিয়ে মনিতোষকে ভারতে চলে যাওয়ার হুমকি দেয়। জাসদ এবং গণবাহিনী পরবর্তীতে দুর্বল হয়ে গেলেও ওই ভূমিদস্যুরা অসহায় মনিতোষকে (৬৫) ভয়ভীতি দেখানো অব্যাহত রাখে। ২০০১ সালের অক্টোবরে নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতাসীন হলে ভূমিদস্যু আতিক-আনিস-বিপ্লব বাহিনী রং বদলিয়ে রাতারাতি বিএনপি নেতা হয়ে যায় এবং জমি-বাড়ি দখলের জন্য ১৯ নভেম্বর ২০০১ তারিখ রাতে মনিতোষকে হত্যার উদ্দেশে চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি ও কিরিচসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মনিতোষকে প্রথমে নাগরপুর উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। প্রায় এক মাস চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হলে ভিকটিম মনিতোষ বিপ্লব, হামিদুর, আমিনুর, লতিফ, আকবর, ইউনুস, ক্রিম মিয়া, আফজালকে আসামি করে ২২ ডিসেম্বর ২০০১ সনে নাগরপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ এই মামলায় ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ওই সন্ত্রাসীরা বিএনপি থেকে রং বদলিয়ে বর্তমানে আওয়ামী লীগ সেজে তদবিরের মাধ্যমে কিছুদিন আগে মামলাটিকে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা অভিহিত করে সরকারের মাধ্যমে মামলাটি কোর্ট থেকে প্রত্যাহার করায়। এই মামলা প্রত্যাহারের পর আসামিরা গয়হাটায় বাড়ি গিয়ে জমি-বাড়ি তাদের হাতে তুলে দিয়ে মনিতোষকে সপরিবারে ভারতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। গত ১০ মে বিপ্লব গং ভূমিদস্যুরা ৪০-৫০ দুর্বৃত্তসহ মনিতোষের বাড়িতে ঢুকে শতবর্ষী বৃক্ষসহ ৮ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ৫০টি গাছ কেটে নিয়ে যায়।
    এ ব্যাপারে নাগরপুর থানা পুলিশকে অবহিত করার পরও পুলিশ অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ মনিতোষকে এ ব্যাপারে আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয়। ঘটনা জানিয়ে মনিতোষ এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানালেও কোন কাজ হয়নি। গত ১৪ মে সন্ধ্যায় ঘটনার ব্যাপারে ভুক্তভোগী মনিতোষ, তার স্ত্রী শুক্লা রানী (৪৫), ছেলে শিশির (২) ও মেয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সুস্মিতা (১২) টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে দোষীদের বিচার এবং শাস্তি দানের জন্য কঠোর সরকারি পদক্ষেপ কামনা করেন। গৃহবধূ শুক্লা রানী কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, বিগত জোট সরকার ক্ষমতায় যাওয়ার পর ওই সন্ত্রাসীরা বিএনপি মাস্তান সেজে তার স্বামীকে খুন করার জন্য কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছিল। তারাই এখন আওয়ামী লীগ সেজে তাদের জমি-বাড়ি ছেড়ে ভারতে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। খুন করে লাশ গুম করার ভয় দেখাচ্ছে। অথচ সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মনিতোষ দাস আশঙ্কা করছেন, তার পরিবারের সবাইকে খুন করে নিদারাবাদ খুনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে ওই সন্ত্রাসীরা। তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। নাগরপুরের একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগে জানান, মনিতোষের উপর নির্যাতনকারীরা এলাকার এমপি খন্দকার আবদুল বাতেনের আশীর্বাদপুষ্ট। পুলিশ এ কারণেই অপরাধীদের কিছু বলছে না। তারা ঘটনার ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 3,927 other followers

%d bloggers like this: